বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, আর সেই সাথে বাড়ছে মোবাইলে গেমিং ও বেটিংয়ের চাহিদা। এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই Joya App তার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে – একদম বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য, তাদের পরিচিত ভাষায়, তাদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে।
অনেক অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম আছে যেগুলো মূলত ইউরোপ বা এশিয়ার অন্য দেশের জন্য বানানো, এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা সেগুলোতে অনেক সমস্যায় পড়েন। ভাষার সমস্যা, পেমেন্টের সমস্যা, কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগের সমস্যা – এই সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা মসৃণ হয় না। কিন্তু Joya App আলাদা কারণ এটা শুরু থেকেই বাংলাদেশের কথা ভেবে ডিজাইন করা হয়েছে।
কম ডেটায় ভালো পারফরম্যান্স
বাংলাদেশের অনেক জায়গায় এখনো ৪G সংযোগ সব সময় পাওয়া যায় না। Joya App মোবাইল অ্যাপটি এই সমস্যা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। লো ডেটা মোডে অ্যাপটি ৩G কানেকশনেও স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। লাইভ স্কোর, অডস আপডেট, বেট প্লেসিং – সব কিছুই কম ডেটায় চলে। অনেক ব্যবহারকারী জানিয়েছেন যে গ্রামের দিকে বা দূরের এলাকায় থাকলেও Joya App ঠিকঠাক চলে।
ব্যাটারি সাশ্রয়ী ডিজাইন
দীর্ঘ সময় অ্যাপ ব্যবহার করলে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া একটা সাধারণ সমস্যা। Joya App-এর ডেভেলপার টিম এই বিষয়টিতে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে। অ্যাপটি ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত রিসোর্স ব্যবহার করে না, এবং ডার্ক থিমের কারণে AMOLED স্ক্রিনে ব্যাটারি আরও কম খরচ হয়।
"Joya App ডাউনলোড করার পর থেকে ফোন থেকেই সব করি। bKash-এ টাকা ঢালা, বেট করা, জেতার পরে তুলে নেওয়া – সব অনেক সহজ হয়ে গেছে।" – ঢাকা থেকে এক নিয়মিত ব্যবহারকারী
নিয়মিত আপডেট ও নতুন ফিচার
Joya App প্রতি মাসে তার অ্যাপ আপডেট করে। নতুন গেম যোগ, বেটিং মার্কেট সম্প্রসারণ, পেমেন্ট পদ্ধতির উন্নতি – এই আপডেটগুলো ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে ক্রমাগত ভালো করে চলেছে। Android অ্যাপে অটো-আপডেট ফিচার আছে, তাই ম্যানুয়ালি আপডেট করার ঝামেলা নেই।
এছাড়া অ্যাপের মধ্যে সরাসরি লাইভ চ্যাট সাপোর্ট আছে। যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলে সমাধান পাওয়া যায়। অনেক প্রতিযোগী প্ল্যাটফর্মে এই সুবিধা নেই, এটা Joya App-কে আলাদা করে তোলে।